আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্নোত্তর

দশম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি, | কবিতাটির রচয়িতা কবি শঙ্খ ঘোষ। এই সিরিজে দশম শ্রেণীর এই কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খুব সুন্দরভাবে দেওয়া হয়েছে | প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী তোমরা এই অংশের উত্তর লেখার ধরনটি অবশ্যই লক্ষ্য কর এবং শেষে এই কবিতা থেকে উত্তর করার গোপন কৌশলগুলি একবার অবশ্যই পড়ে নাও।

১. অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন -আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি

১.১  “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উঃ) কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত “জলই পাষাণ হয়ে আছে” নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে আমাদের পাঠ্য “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতাটি নেওয়া হয়েছে।

১.২ “পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ”- “হিমানীর বাঁধ” বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন?
উঃ) কবি শঙ্খ ঘোষ “হিমানীর বাঁধ” বলতে প্রতিকূল পরিস্থিতিকে বুঝিয়েছেন। হিংসার উন্মত্ততা এবং যুদ্ধের আগ্রাসন মানুষের চলার পথকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

১.৩ “আমাদের পথ নেই কোনো” – কবি কেন এমন মন্তব্য করেছেন ? অথবা- আমাদের পথ নেই কেন ?
উঃ) সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধের আগ্রাসন, হিংসার উন্মত্ততা, ধর্মান্ধতা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ইত্যাদি প্রতিকূলতায় পড়ে সাধারণ মানুষ দিশাহীন। তাদের প্রতি পদক্ষেপেই রয়েছে বিপদের ঝুকি। এমন সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে কবি শঙ্খ ঘোষ আলোচিত মন্তব্যটি করেছেন।

১.৪) “আমাদের ডান পাশে ধ্বস”- ধ্বস শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কি ?
উঃ) ধ্বস শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল- কোন বড় মাটির চাঙ্গর বা বড় পাথর বা বরফের চাঙ্গর উপর থেকে নিচে ধ্বসে পড়া। আমাদের পাঠ্য কবিতায় ধ্বস শব্দটি সামাজিক অবক্ষয় অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে।

১.৫ “আমাদের ঘর গেছে উড়ে”- এখানে “ঘর উড়ে গেছে” বলতে কি বোঝানো হয়েছে ? অথবা- বক্তব্যটি তাৎপর্য কি?
উঃ “ঘর উড়ে গেছে” বলতে আমাদের পাঠ্য কবিতায় কবি শঙ্খ ঘোষ সাধারণ মানুষের আশ্রয়হীন অবস্থাকে বুঝিয়েছেন। অর্থলোলুপ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আঘাতে মানুষের আশ্রয়স্থল উড়ে গেছে।

১.৬ “আমরাও তবে এইভাবে/ এ- মুহূর্তে মরে যাব ননাকি”- এমন সংশয়ের কারণ কি?অথবা- কবি কেন এমন আশঙ্কা করেছেন? 
উঃ) সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনে মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তাদের শিশুদেরও হত্যা হচ্ছে। এমন সংকটকুল পরিস্থিতিতে আমাদের ভীত সন্ত্রস্ত করে তুলছে। তাই আলোচ্য অংশটিতে কবি এমন মন্তব্য করেছেন।

১.৭ “আমাদের পথ নেই আর”- এই অবস্থায় আমাদের করণীয় কি?
উঃ) বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে আমাদের আর কোন পথ নেই কিন্তু কবি শঙ্খ ঘোষ, এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলকে একতাবদ্ধ তথা সঙ্গবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান করেছেন।

১.৮ “আমাদের ইতিহাস নেই”- কবি কেন এমন মন্তব্য করেছেন?অথবা- আমাদের ইতিহাস নেই কে?ন অথবা- একথা বলার কারণ কি?
উঃ) “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” নামক কবিতায় সাধারণ মানুষের দুঃখ যন্ত্রণার কথা ইতিহাসের স্থান পায় না। সাধারণ মানুষের কথা ইতিহাসে আড়াল করে রাখা হয়, সত্যকে চাপা দেবার জন্য। তাই কবি শঙ্খ ঘোষ আক্ষেপের সুরে এমন মন্তব্য করেছেন।

১.৯ “আমরা ভিখারি বারোমাস”- কবি একথা বলেছেন কেন? অথবা- এ কথা বলার কারন কি?
উঃ “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতায় সাধারণ মানুষ দীর্ঘকালীন শোষণ বঞ্চনার ফলে তাদের জীবিকা হারিয়ে ভিখারিতে পরিণত হয়েছে। তারা অন্যের দয়ার ওপর নির্ভর করেই বেঁচে থাকতে বেশি পছন্দ করে। দয়া- দাক্ষিণ্য যেন তাদের জীবনধারণের প্রধান উপায় হয়ে উঠেছে।

১.১০ “আমাদের কথা কে বা জানে”- আমাদের কথা কেউ জানে না কেন?
উঃ অবক্ষয়িত সমাজে নিপীড়িত শোষিত গৃহহীন সাধারণ মানুষের খোঁজ কেউই রাখে না। তাদের কথা ইতিহাসের লেখা হয় না। এজন্য সাধারণ মানুষের কথা কেউই জানে না।

১.১১ “তবু তো কজন আছি বাকি”- বাকি কজনকে নিয়ে কবি কি করতে চান?
উঃ চারিদিকে স্বার্থলোলুপ মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলেও, এই সমাজের তবুও কিছু শুভ বুদ্ধির সম্পন্ন মানুষ আছেন। তাদের কবি শঙ্খ ঘোষ আহবান করেছেন একসঙ্গে জোটবদ্ধ অবস্থায় সংকটময় পরিস্থিতি থেকে আমাদের উদ্ধারের জন্য।

১.১২ “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি”- কবি কেন বেঁধে বেঁধে থাকতে বলেছেন?
উঃ ধর্মান্ধতা, যুদ্ধ পরিস্থিতি, উন্মত্ত- হিংসা ইত্যাদিতে মানুষ আজ বিচ্ছিন্ন। যার ফলে সমাজের শোষণ অত্যাচার বেড়েই চলেছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য কবি শঙ্খ ঘোষ সকল সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে জোটবদ্ধ অবস্থায় থাকতে বলেছেন।

১.১৩ “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে”- কি ছড়ানো রয়েছে?
উঃ “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” শিরোনামংকিত কবিতায় যুদ্ধের আগ্রাসনের কবলে পড়ে শিশুদের হত্যা হচ্ছে। তাদেরই মৃতদেহগুলি এখানে ওখানে ছড়িয়ে আছে।

১.১৪ “আমাদের চোখ মুখ ঢাকা” চোখ মুখ ঢাকার কারণ কি ?
উঃ “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতায় সাধারণ মানুষ ইতিহাস বা সমাজ থেকে শোষিত বঞ্চিত হতে দেখেও চুপচাপ থাকে। তারা কোনদিন প্রতিবাদ করে না। তারা দেখে যে, তাদের ওপর শোষণ অত্যাচার চলছে তবুও তারা চুপচাপ থাকে। এমন অবস্থাকেই কবি শঙ্খ ঘোষ চোখ মুখ ঢাকা বলেছেন।

১.১৫ “তবু কজন আছে বাকি”- এখানে কজন বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে?
উঃ “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” শীর্ষক কবিতায় কবি শঙ্খ ঘোষ কজন বলতে সমাজের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন বুদ্ধিজীবী মানুষের কথা বলেছেন। যারা এই অবক্ষয়িত সমাজের থেকেও এখনো মানববন্ধনের উপর আস্থা রাখেন।

১.১৬ “আমাদের ইতিহাস নেই”- ইতিহাস না থাকায় আমাদের স্বরূপ কি?
উঃ আমাদের বলতে সাধারণ মানুষের কথা বলা হয়েছে। যারা ইতিহাসের স্থান পায় না। ইতিহাস না থাকার জন্য সাধারণ মানুষের কেউ খোঁজ রাখে না। অথবা আমরা চোখ মুখ ঢাকা অবস্থাতেই থাকি।

 

 ২. ব্যাখ্যামূলক সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন উত্তর

২.১  “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে”- কি ছড়ানো রয়েছে ? ছড়িয়ে থাকার কারণ কি ?
উঃ কবি শঙ্খ ঘোষ প্রণীত “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” শীর্ষক কবিতায় কাছে দূরে শিশুদের শব তথা মৃতদেহ ছড়িয়ে রয়েছে।

ছড়িয়ে থাকার কারণ  –যুদ্ধের আগ্রাসন, ধর্মান্ধতা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, হিংসা ইত্যাদির সংকটে আমাদের সমাজে কি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়- তা কবি শঙ্খ ঘোষ আমাদের পাঠ্য কবিতায় তুলে ধরেছেন। যুদ্ধের আগ্রাসনে কবলে পড়ে শিশুও রক্ষা পায়নি। তারা এই সংকটকালে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছে। কখনো অপুষ্টি, কখনো রোগ, জ্বালায় পড়েও শিশুদের অকালে প্রাণ যাচ্ছে। আমাদের ভবিষ্যৎ স্বরূপ শিশুদের এই অবস্থার জন্যই, কবি শঙ্খ ঘোষ এমন মন্তব্য করেছেন।

২.২ “আমাদের …. কোনো”- এখানে কোন পথের কথা বলা হয়েছে ? পথ না থাকার কারণ কি ?
উঃ) “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” শীর্ষক পাঠ্য কবিতায় “পথ” বলতে কবি শঙ্খ ঘোষ আমাদের বেঁচে থাকার উপায় এর কথাকে বুঝিয়েছেন।

পথ না থাকার কারণ-বর্তমান সময়ে আমাদের চারিদিকে সংকটপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে যুদ্ধের আগ্রাসন, অন্যদিকেই হিংসার উন্মত্ততা- মানুষের বাঁচার পথকে অবরুদ্ধ করে তুলছে। প্রতি পদক্ষেপেই আমাদের যেন হিমানীর বাঁধের মতো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। তার উপরে আবার মাথার ওপর বোমারু বিমান ঘুরে বেড়াচ্ছে।অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং সামাজিক অবক্ষয় আমাদের জীবন দুর্বিসহ গড়ে তুলছে। তাই আমাদের বাঁচার কোন উপায় নেই অর্থাৎ আমাদের আর কোন পথ নেই।

২.৩ “আমরাও তবে …….. মরে যাব নাকি ?”- কোন প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে ? কবির এমন আশঙ্কার কারণ কি ?
উঃ) গোটা পৃথিবীজুড়ে অর্থনৈতিক অরাজকতা, অসহিষ্ণুতা, অর্থলোলুপ রাজনীতি, সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি মানুষের মানবিকতাবোধকে ধ্বংসের উপর দাঁড় করিয়েছে। শুধু তাই নয়, মানুষের জীবনকে করে তুলছে সংকটময়+ এমন প্রসঙ্গেই কবি শঙ্খ ঘোষ আমাদের পাঠ্য “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতায় আলোচ্য মন্তব্যটি করেছেন।

কবির এমন আশঙ্কার কারণ-হিংসার উন্মত্ততা, অর্থলোলুপ শক্তির শোষণ মানুষের জীবনকে বিপদ সংকুল করে তুলছে। যুদ্ধের পরিস্থিতি মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলছে, যুদ্ধের আগ্রাসনে মানব শিশুও রক্ষা পাচ্ছে না। তারাও যুদ্ধের কবলে পড়ে হত্যার শিকার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, হয়তো তাদের নিষ্পাপ শিশুদের মতোই, তাদেরও একদিন মৃত্যুর মুখে পড়তে হবে।

২.৪  “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি”- কবি কাদের ডেকেছেন ? বেঁধে বেঁধে থাকার প্রয়োজনীয়তা কোথায় ?
উঃ) কবি শঙ্খ ঘোষ বর্তমান পরিস্থিতির সংকটাপন্ন মানুষের উদ্ধারের জন্য সাধারণ মানুষকেই এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন। যে কজন শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ আছেন, তাদের প্রতিই কবির এই আহ্বান।

বেঁধে বেঁধে থাকার প্রয়োজনীয়তা-বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের চারিদিকে বিপদ। সাধারণ মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। মানুষের উভয়দিকেই এই বিপদ। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করছে। শুধু তাই নয়, তাদের ভবিষ্যৎ জীবন স্বরূপ নিষ্পাপ শিশুদেরও মৃতদেহগুলি এদিক ওদিক ছড়িয়ে আছে। অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতি একটা ভয়ংকর সংকটের সম্মুখীন। এমন অবস্থায় মানুষ, মানুষকেই সাহায্য করার কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে কবি সকল মানুষের কাছে আহবান করেছেন যে, প্রত্যেক মানুষ যেন প্রত্যেকের হাতে হাত রেখে, এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি লাভের জন্য, জোটবদ্ধ অবস্থায় এগিয়ে আসেন

২.৫ “আমাদের পথ নেই কোনো”- আমাদের বলতে কবি কাদের বুঝিয়েছেন ? আমাদের পথ নেই কেন ?
উঃ) “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” নামক কবিতায় কবি শঙ্খ ঘোষ “আমাদের” বলতে বর্তমান সমাজের শোষিত, বঞ্চিত, উপেক্ষিত সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েছেন।

আমাদের পথ নেই কেন-সাম্প্রতিক সময়ে, যুদ্ধের আগ্রাসন, হিংসার উন্মত্ততা, ধর্মান্ধতা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, সাম্রাজ্যবাদ, যুদ্ধ পরিস্থিতি ইত্যাদি প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পড়ে সাধারণ মানুষ আজ দিশাহীন। তাদের প্রতি পদক্ষেপেই রয়েছে হিমানীর বাঁধের মতো বিপদের ঝুঁকি। তার ওপরে খোলা আকাশেও সুরক্ষিত নয়। বোমারু বিমান সেখানে চলাফেরা করছে। এক কথায় বর্তমান পরিস্থিতি চরম সংকটের সম্মুখীন। এইরকম সংকটময় পরিস্থিতিতেই  কবি শঙ্খ ঘোষ আলোচিত মন্তব্যটি করেছেন।

বিশেষ পরামর্শ:-  

১. “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” পাঠ্য কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু এবং তার ভাব বস্তু ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।

২. কবিতাটির বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে, যেকোন প্রশ্নের উত্তরে লেখা খুব সহজ হবে। বিশেষ করে কবিতার লাইনগুলি পরপর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

৩. সাধারণত লাইন তুলে প্রশ্ন হয় অর্থাৎ লাইনটার অর্থ যদি পরিস্ফুটিত হয় তাহলে উত্তরটি লেখা খুব সহজ হবে।

৪. পাঁচ নম্বরে প্রশ্নের ক্ষেত্রে সাধারণত মূলভাবের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রশ্ন হয়। তাই কবিতাটির মূলভাব ভালোভাবে করতে হবে এবং যদি কোন লাইন তুলে বড় প্রশ্ন হয় তাহলে কবিতাটির মূল ভাবটিই উত্তর হবে। অর্থাৎ পাঁচ নম্বরের জন্য আলাদা আলাদা করে, অনেকগুলি প্রশ্নের উত্তর না করে মূলভাবটি করলেই যেকোনো পাঁচ নম্বরে প্রশ্নের উত্তর একই হবে এবং খুব সহজে তোমরা লিখতে পারবে।

৫. কবিতাটি প্রতিটি লাইনে কবি সাধারণত একই কথা বলতে চেয়েছেন। তাই তিন নম্বর এর ক্ষেত্রেও যে লাইনগুলো প্রশ্ন হবে, সেই লাইনর উত্তর প্রায় একই রকম। এই জন্য বিভিন্ন লাইনের জন্য বিভিন্ন রকম উত্তর না করে মূলভাব থেকে আয়ত্ত করে লিখলে বা মূলভাব কে অনুসরণ করলে যে কোন তিন নম্বরে প্রশ্নের উত্তর লেখা খুবই সহজ হয়ে যাবে।

৬. পাঁচ প্রশ্নের উত্তরে ক্ষেত্রে অবশ্যই তোমরা প্যারাভিত্তিক উত্তর লিখবে। তাহলে উত্তরটি দেখতে খুব সুন্দর হয় এবং সেইসঙ্গে উত্তরটি যাতে অথেন্টিক  হয় সেজন্য প্রাসঙ্গিক লাইন অবশ্যই ব্যবহার করবে। না হলে উত্তরটি বানানো বা বানিয়ে বানিয়ে বা গল্প করে উত্তর লেখা হয়ে যাবে। যার ফলে তোমরা ফুল মার্কস পাবে না। ফুল মার্কস পেতে গেলে অবশ্যই এই ফর্মুলাটি ফলো করতে হবে।  শ্রেণীর রচনা এবং অন্যান্য বিষয় প্রশ্ন উত্তর জানতে- click Here 

Read More

Recent